1. info@www.shadhinbanglatv.com : TV :
  2. info@www.shadhinbanglatv.com : NEWS TV : NEWS TV
  3. live@shadhinbanglatv.com : www.shadhinbanglatv.com www.shadhinbanglatv.com : www.shadhinbanglatv.com www.shadhinbanglatv.com
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন

এক্সিম ব্যাংকের প্রতারণার শিকার জামাল কন্সট্রাকশন কোম্পানির প্রোপাইটর

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : এক্সিম ব্যাংকের প্রতারণার শিকার জামাল কন্সট্রাকশন কোম্পানির প্রোপাইটর বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্র জানা যায় জামাল কন্সট্রাকশন কোম্পানির প্রোপাইটর মো. জামাল উদ্দিন ভূঁইয়া। তিনি এক্সিম ব্যাংকের সোনারগাঁও জনপদ ব্রাঞ্চের একজন নিয়মিত গ্রাহক। ব্যাংক একাউন্ট নং ৬৭১১১০০০০৯২৭৯। ২০১৪ সালের ১৮ জুন জামাল উদ্দিনের মালিকানাধীন বহু তল ভবনের (১০ তলা) ৯টি ফ্ল্যাট (৯১৮৫ বর্গফুট) মর্গেজ দিয়ে ১ কোটি টাকার বিনিয়োগ ঋণ গ্রহণ করেন।
এক্সিম ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণের পর থেকেই ব্যাংকের নিয়মানুযায়ী মুনাফা প্রদান করে আসছেন। একই সাথে দীর্ঘ দিন যাবত সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। বৈশ্বিক মহামারি করোনার পূর্ব পর্যন্ত নিয়মিত এক্সিম ব্যাংকের মুনাফা প্রদান করে আসছেন জামাল উদ্দিন। প্রাকৃতিক দূর্যোগ করোনার কারণে সারাবিশ্বের অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়ে। যার প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পড়ে। আর সেই কারণে অন্যান্য ব্যবসায়ীদের মতো জামাল উদ্দিনের ব্যবসা বাণিজ্যেও মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বলতে গেলে প্রায় ধ্বংসের মুখে পড়ে। আর সেই কারণেই করোনা পরবর্তী সময়ে ব্যাংকের মুনাফা সঠিক সময়ে প্রদান করতে পারেনি। এছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নানা অসৎ ব্যক্তিদের চাঁদাবাজি ও অত্যাচারে খুবই বেকায়দায় পড়ে যান জামাল উদ্দিন ভূঁইয়া।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি। পরে ওই বছরের (২০২৪) ২০ আগস্ট এক্সিম ব্যাংকে ১০ লাখ টাকা প্রদান করেন। টাকা জমা দেয়ার পর তিনি জানতে পারেন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ফ্ল্যাট উচ্ছেদের জন্য কোর্টে মামলা দায়ের করেছে। মামলা নং ১৮৯/২৫।
পরে ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোর কোর্টে দরখাস্ত দাখিল করে জামাল উদ্দিন। সেই সাথে ব্যাংকের সমুদয় ঋণ পরিশোধেরও অঙ্গীকার করেন। কোর্ট পরবর্তী শুনানীর দিন ধার্য করেন ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর। এরই মধ্যে ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর এক্সিম ব্যাংকে নগদ ১০ লাখ টাকা এবং ১১ নভেম্বর ৩০ লাখ টাকা পে-অর্ডার প্রদান করেন। কোর্ট পে-অর্ডান গ্রহণ করে এবং পরবর্তী শুনানীর দিন ধার্য করে ২০২৬ সালের ২৯ মার্চ। ওই তারিখে আবারও ১ লাখ টাকার পে-অর্ডার জমা দেন। ফলে সবমিলিয়ে এক্সিম ব্যাংকে ৫১ লাখ টাকা জমা করেন ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন ভূঁইয়া।
এদিকে ব্যাংকের দাবিকৃত অর্থের পরিমাণ ১ কোটি ৭৩ লাখ ৬৯ হাজার ৮শত ১২টাকা ৮৩ পয়সা। ব্যাংকের দাবি অনুযায়ী সমস্ত টাকা পরিশোধ করার শর্তে কোর্টে দরখাস্ত করেন জামাল উদ্দিন। কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করতেও বদ্ধপরিকর তিনি। এক্সিম ব্যাংকের কিছু অসৎ কর্মকর্তা এবং লোভী ব্যক্তিদের যোগসাজসে হয়রানীর শিকার হচ্ছেন জামাল উদ্দিন। একটি বিশেষ চক্র তাকে একাধিকবার হত্যার হুমকীও দেন।
ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন বলেন, দীর্ঘ দিন যাবত সততার সাথে ব্যবসা করে আসছি। অথচ আজ এক্সিম ব্যাংকের কিছু অসাধু কমর্করতার কারণে আমি হয়রানির শিকার হচ্ছি। শুধু তাই নয়, আমার ৫ কোটি টাকার ফ্ল্যাটগুলো দখল করতে আসে আসাদুল আলম গং। ওই আসাদুল আলম নিজেকে শ্রমিক দলের নেতা পরিচয় দেন। তারা নাকি সবগুলো ফ্ল্যাট ক্রয় করেন, যার ভিতরে ১ টি ফ্ল্যাটের দলিল দেখান, মূল্য মাত্র ২৬ লক্ষ টাকায় অথচ শুধুমাত্র ঐই ফ্ল্যাটটিরই দাম আছে ৬০ লক্ষ টাকা।
আমার ফ্ল্যাটগুলোর দাম ৫ কোটি টাকা।
জামাল উদ্দিন আরও বলেন, একাধিকবার দলবল নিয়ে এসে ওই শ্রমিক দলের ওই নেতা আসাদুল আলম গং জোরপূর্বক ফ্ল্যাট দখলের চেষ্টা করছেন। ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তিনি সরকারের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© shadhinbanglatv.com
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট